টিকা নেয়ার আগ্রহ বেড়েছে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে

All Questions & AnswersCategory: Voice Of America-Banglaটিকা নেয়ার আগ্রহ বেড়েছে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে
Editor Staff asked 2 weeks ago

বাংলাদেশে টিকা সংকটের কারনে করোনা ভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচী কিছুদিন বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি তা আবার শুরু হলে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে সর্বস্তরে জনগণের কাছ থেকে আশাতীত সাড়া মিলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশ টিকা সংকট অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে এবং চলতি দফা গন টিকাদান কর্মসূচী শুরুর পর দেশের সকল টিকা কেন্দ্র গুলোতে টিকা নিতে আসা মানুষের ভিড় প্রতিদিন বাড়ছে। তাঁরা জানিয়েছেন টিকা নেওয়ার বিষয়ে গতির সঞ্চার হওয়ায় টিকার যোগানের বিষয়টিও সামনে এসেছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা আশা করেছেন যে আগামী দুই মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, চিন, কোভাক্সের এবং অন্যান্য সূত্র থেকে অন্তত দুই কোটি ডোজ টিকা পাওয়া যাবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকা দান কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল হক রোববার ঢাকায় সাংবাদিকদের বলেছেন যে বিরাট সংখ্যক টিকা দেশে আসছে তা সংরক্ষণের জন্য দেশের সক্ষমতা বাড়াতে ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন করোনা সংক্রমণ সারা দেশে বিস্তার লাভ করায় সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে টিকা নেওয়ার আগ্রহ অনেক বেড়েছে।

ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে কথা বলছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে কথা বলছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আজ এক সরকারি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন নির্ধারিত বয়সের কোনও মানুষ যেন করোনার ভ্যাকসিন থেকে বাদ না থাকে সেই জন্য সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি বলেন টিকা দানের এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার যত ভ্যাকসিন প্রয়োজন তা যোগাড় করার জন্য তৎপর রয়েছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওযায় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন করোনার এ পরিস্থিতিতে সবাই যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

এদিকে, রাজধানী ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলায় পোশাক শিল্পের শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের সরকারের সুরক্ষা অ্যাপের রেজিষ্ট্রেশনের বাইরে শুধু জাতিয় পরিচয় পত্রের ভিত্তিতে আজ থেকে করোনার টিকা দেয়া শুরু হয়েছে।

জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মাদ খায়রুজ্জামান বলেন দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে তাঁরা প্রাথমিক ভাবে গাজীপুরে এ কার্যক্রম শুরু করেছেন এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশের পোশাক শিল্প ও অন্যান্য কলকারখানার শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন স্বাস্থ্য বিভাগের টিকাদান কর্মসূচি মূলত হাসপাতাল কেন্দ্রিক কিন্তু পোশাক শ্রমিকদের তাঁদের কারখানায় গিয়ে টিকা দেয়া হচ্ছে। এ কাজটি করতে স্বাস্থ্য কর্মীদের দীর্ঘদিন ধরে প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন বোরবার

চারটি পোশাক কারখানার মোট ১২ হাজার শ্রমিক-কর্মকর্তাকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে । তিনি বলেন পোশাক শিল্পে এই টিকাদান কর্মসূচী চলবে ।

Source link

Attachments