শীতকালে চুলের যত্নে যেভাবে করবেন

By | November 26, 2017

স্বাভাবিক ভাবে অন্য সময়ের থেকে শীতকালটা একটু ভিন্ন। শীতকালে চুলের অবস্থা নিয়ে অনেকেই খুব বিচলিত হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ দেওয়া হল।

চুলের সমস্যাঃ

১। চুল খসখসে হয়ে যাওয়া
২। চুলের মসৃণতা কমে যাওয়া,
৩। অর্ধেকে চুল ভেঙ্গে পড়া
৪। চুলে অতিরিক্ত খুশি ইতাদি।
এছাড়া চুল ঝড়ে পড়া এটা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। কিন্তু ভয় পাওয়ার কিছু নেই খুব কম সময়ে ঘরে বসেই নিয়মিত নিজের চুলের যত্ন নেয়া সম্ভব।

শীতকালে চুল ভালো রাখার টিপসঃ

১. শ্যাম্পুঃ প্রতিদিন শ্যাম্পু ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। চুলের সাথে মানানসই একটি ভাল মানের শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। সপ্তাহে ২-৩ দিনের বেশি চুলের শ্যাম্পু দেয়া ভালো নয়। তবে শীতকালে অনেক ময়লা থাকে চুলে তাই প্রয়োজন অনুযায়ী গরম বা ঠান্ডা পানি নয় বরং মোটামোটি আকারের ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল সারুন।

২. কন্ডিশনারঃ চুলের যত্নে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিবার চুল ধোয়ার পর সুবিধামতো একটি কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এটি চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াবে ও চুল ভেঙে যাওয়া রোধ করবে।

৩. হেয়ার ট্রিটমেন্টঃ সপ্তাহে একবার করে হেয়ার ট্রিটমেন্ট মাস্ক ব্যবহার করুন। এতে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

৪. হেয়ারড্রায়ারঃ য়ারড্রায়ার ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করলেও তা যেন বাড়তি গরম ও বাড়তি শুষ্ক না হয় সেদিকে লক্ষ রাখুন।

৫. ভেজা চুলঃ ভেজা চুল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হবেন না। ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় চুলের ক্ষতি হতে পারে। চুল শুকিয়ে নিন। এছাড়াও ভেজা চুলে ময়লা বেশি এঁটে যায়।

৬. চুল স্ট্রেইটঃ চুলে স্ট্রেইটনার ব্যবহার করলে চুলের ক্ষতি এড়াতে প্রয়োজনীয় কন্ডিশনার ও স্প্রে ব্যবহার করুন।

৭. প্রাকৃতিক তেলঃ কৃত্রিম তেল নয়, নারিকেলের মতো প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার করুন। চুলের ময়েশ্চার ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে তেল। সপ্তাহে একবার হট অয়েল ট্রিটমেন্ট করতে পারেন।

৮. চুল ফাটাঃ নিয়মিত চুলের ডগা ছেটে চুল ফেটে যাওয়া রোধ করুন। এক্ষেত্রে প্রতি ছয় থেকে আট সপ্তাহ পর পর এ কাজটি করতে পারেন।

৯. স্কার্ফঃ শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে প্রয়োজনে স্কার্ফ ব্যবহার করুন।

১০. চুল বাঁধাঃ শীতের শুষ্ক বাতাসে বাইরে ঘোরাঘুরি করলে চুল বেঁধে রাখুন। এ সময় চুল ছেড়ে রাখলে তা রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।

অতিরিক্ত কিছু টিপসঃ
১। চুলে সবসময় শ্যাম্পু করতে হবে। অনেকের ধারনা শ্যাম্পু করলে চুলের মসৃণতা কমে যায়। সপ্তাহে ২দিন শ্যাম্পু করা আবশ্যক। ৩দিন অন্তর অন্তর।
২। চুলে শ্যাম্পু করার আগে কালোজিরার তেল হালকা গরম করে তা চুলে লাগাতে হবে। এতে করে চুলের গোড়া শক্ত থাকে ফলে চুল ঝড়ে পরার সম্ভাবনা করে আসে। ২ ঘণ্টা রাখার পর চুল পরিষ্কার ভাবে শ্যাম্পু করতে হবে।
৩। শ্যাম্পুর পর চুলের নারিসমেন্ট এর প্রয়োজন।
৪। দোকান থেকে ব্র্যান্ড এর কন্ডিশনার না কিনেও ঘরে বসেই কন্ডিশনার করা সম্ভব। যে ভাবে কন্ডিশনার করবেন ঘরোয়া উপায়ে। ১ কাপ ঘন চায়ের লিকার তাতে অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে লিকারটি ঠাণ্ডা করে রাখতে হবে। গোসল শেষে ৫। এক মগ পরিমান পানিতে লেবুর রস ও চায়ের লিকার মিশিয়ে চুলে দিতে হবে। এতে চুল ঝরঝরে থাকবে।

মানুষ যে কারণে ভালোবাসা খোঁজে তার উত্তর পেলেন বিজ্ঞানীরা!

(পোস্টটি 9 জন দেখছেন)

If you think it is helpful,Share the post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *